পাঠ ১৫ — বিশ্বায়ন,  Class 7, Chapter 15, SEBA new textbook

অধ্যায়ের নাম: পাঠ ১৫ — বিশ্বায়ন

অনুশীলনী – ১

১. নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও—

(ক) একটি উৎপাদন কেন্দ্র বা শিল্পের উদাহরণ দাও।
উত্তর: চা-শিল্প, বস্ত্রশিল্প বা ইস্পাত কারখানা একটি উৎপাদন কেন্দ্র বা শিল্পের উদাহরণ।

(খ) WTO-এর পূর্ণরূপটি লেখ।
উত্তর: WTO-এর পূর্ণরূপ হলো World Trade Organization (বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা)

(গ) বিশ্বায়ন মানে কী?
উত্তর: বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মধ্যে পণ্য, পরিষেবা, প্রযুক্তি, তথ্য ও সংস্কৃতির আদান-প্রদানের মাধ্যমে পারস্পরিক নির্ভরশীলতা বৃদ্ধির প্রক্রিয়াকে বিশ্বায়ন বলে।

(ঘ) একটি আন্তর্জাতিক সংস্থার উদাহরণ দাও।
উত্তর: রাষ্ট্রসংঘ (United Nations), আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF) বা বিশ্বব্যাংক (World Bank)।


২. উৎপাদনের উপাদান কয়টি এবং কী কী?

উত্তর:
উৎপাদনের উপাদান চারটি। সেগুলি হলো—

  • ভূমি (Land)
  • শ্রম (Labour)
  • মূলধন (Capital)
  • সংগঠন (Organization)

৩. আমদানি ও রপ্তানি কাকে বলে? উদাহরণসহ লেখ।

উত্তর:

  • আমদানি: অন্য দেশ থেকে পণ্য বা সামগ্রী ক্রয় করার প্রক্রিয়াকে আমদানি বলে।
    উদাহরণ: ভারত ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি, রাসায়নিক দ্রব্য ইত্যাদি আমদানি করে।
  • রপ্তানি: অন্য দেশে পণ্য বা সামগ্রী বিক্রি করার প্রক্রিয়াকে রপ্তানি বলে।
    উদাহরণ: ভারত চা, মসলা, ওষুধ, পাটজাত দ্রব্য ইত্যাদি রপ্তানি করে।

অনুশীলনী – ২

১. নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও—

(ক) বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান মানে কী?
উত্তর: যে প্রতিষ্ঠান একাধিক দেশে উৎপাদন, ব্যবসা বা পরিষেবা পরিচালনা করে তাকে বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান (MNC) বলে।

(খ) কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মানে কী?
উত্তর: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) হলো এমন প্রযুক্তি যার মাধ্যমে যন্ত্র মানুষের মতো চিন্তা, শেখা, সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও সমস্যা সমাধান করতে পারে।

(গ) বহনক্ষম উন্নয়নের লক্ষ্য কয়টি?
উত্তর: বহনক্ষম উন্নয়নের লক্ষ্য (SDGs) ১৭টি

(ঘ) বিশ্বায়নের ফলে লাভ করা কয়েকটি সুবিধার বিষয়ে উল্লেখ করো।
উত্তর:

  • দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্য বৃদ্ধি পেয়েছে।
  • উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার সহজ হয়েছে।
  • যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হয়েছে।
  • কর্মসংস্থানের সুযোগ বেড়েছে।
  • শিক্ষা, চিকিৎসা ও তথ্যপ্রযুক্তির উন্নতি ঘটেছে।

২. স্থানীয় উৎপাদকরা বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে কীভাবে লাভবান হয়?

উত্তর:

  • বৃহৎ বাজারে পণ্য বিক্রির সুযোগ পায়।
  • নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার শিখতে পারে।
  • কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পায়।
  • উৎপাদন ও আয় বৃদ্ধি পায়।

৩. কোন ধরনের কাজকর্ম করলে বহনক্ষম উন্নয়ন হয়েছে বলা যায়? উদাহরণসহ লেখ।

উত্তর:
যে উন্নয়নে বর্তমান প্রজন্মের চাহিদা পূরণ করার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রয়োজনের কথাও বিবেচনা করা হয়, তাকে বহনক্ষম উন্নয়ন বলে।

উদাহরণ:

  • বৃক্ষরোপণ।
  • জল সংরক্ষণ।
  • সৌরশক্তির ব্যবহার।
  • দূষণ নিয়ন্ত্রণ।
  • প্রাকৃতিক সম্পদের সঠিক ব্যবহার।

৪. বর্তমান যুগকে কেন বিশ্বায়নের যুগ বলা হয়?

উত্তর:
বর্তমানে যোগাযোগ, পরিবহন, তথ্যপ্রযুক্তি ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ব্যাপক উন্নতির ফলে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ পরস্পরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত হয়েছে। তাই বর্তমান যুগকে বিশ্বায়নের যুগ বলা হয়।


৫. তুমি ভবিষ্যতে কোনো দেশ বা রাজ্যে পড়তে অথবা কর্মসংস্থানের জন্য যেতে চাইবে এবং কেন?

উত্তর (নমুনা):
আমি ভবিষ্যতে ভারতের অন্য কোনো রাজ্যে বা বিদেশে উচ্চশিক্ষা ও কর্মসংস্থানের জন্য যেতে চাই। কারণ সেখানে উন্নত শিক্ষা, আধুনিক প্রযুক্তি, নতুন অভিজ্ঞতা এবং ভালো কর্মসংস্থানের সুযোগ পাওয়া যায়।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *