পাঠ–১০ : ভারতের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, Class 7, Chapter 10, SEBA new textbook

অধ্যায়ের নাম: পাঠ–১০ : ভারতের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য


অনুশীলনী–১

১। নীচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।

(ক) ভারতের অধিকাংশ ভাষার মূলসূত্রের ভাষাটি কী?

উত্তর: সংস্কৃত ভাষা।


(খ) সংস্কৃত ভাষাকে কেন দেবভাষা বলা হয়?

উত্তর: বেদ, বেদাঙ্গ, উপনিষদ, রামায়ণ, মহাভারত, পুরাণ প্রভৃতি ধর্মীয় ও প্রাচীন জ্ঞানভাণ্ডারের অধিকাংশ গ্রন্থ সংস্কৃত ভাষায় রচিত হওয়ায় সংস্কৃত ভাষাকে দেবভাষা বলা হয়।


(গ) অপভ্রংশ কী?

উত্তর: প্রাকৃত ভাষা থেকে উৎপন্ন নতুন কথ্য ভাষাগুলিকে অপভ্রংশ বলা হয়।


২। “সঙ্গম সাহিত্য” কাকে বলে? এই সাহিত্যের অন্তর্ভুক্ত দুটি মহাকাব্যের নাম লেখো।

উত্তর:
প্রাচীন তামিল ভাষায় রচিত সাহিত্যসম্ভারকে সঙ্গম সাহিত্য বলা হয়।

এর অন্তর্ভুক্ত দুটি মহাকাব্য হলো— ১. শিলাপ্পদিকারম
২. মণিমেকলাই


৩। সংস্কৃত ভাষায় লিখিত দুটি গল্পগ্রন্থের বইয়ের নাম লেখো।

উত্তর: ১. পঞ্চতন্ত্র
২. হিতোপদেশ


অনুশীলনী–২

১। নীচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।

(ক) ভারতের সংগীতের মূল ভিত্তি কী?

উত্তর: ভরতমুনির রচিত নাট্যশাস্ত্র ভারতের সংগীতের মূল ভিত্তি।


(খ) ভারতের শাস্ত্রীয় সংগীতের প্রধান দুটি ভাগ কী কী?

উত্তর: ১. হিন্দুস্তানি সংগীত
২. কর্ণাটকি সংগীত


(গ) কালিদাস রচিত দুটি নাটকের নাম লেখো।

উত্তর: ১. অভিজ্ঞান শকুন্তলম
২. বিক্রমোর্বশীয়ম


(ঘ) যুদ্ধবিদ্যার সঙ্গে জড়িত দু-রকম নৃত্যের নাম লেখো।

উত্তর: ১. কলারিপায়ট্টু
২. থাংটা


২। মোগল চিত্রকলার প্রধান বিষয়বস্তুগুলো কী কী?

উত্তর:
মোগল চিত্রকলার প্রধান বিষয়বস্তু ছিল—

  • সমসাময়িক রাজনৈতিক ঘটনা,
  • রাজদরবারের দৃশ্য,
  • সম্রাটদের প্রতিকৃতি,
  • শিকার,
  • প্রাকৃতিক দৃশ্য,
  • গাছপালা ও লতাপাতা।

৩। সাঁচিপুঁথি কাকে বলে? অসমের তিনটি সাঁচিপুঁথির নাম লেখো।

উত্তর:
সাঁচি গাছের বাকল (বেকল) থেকে তৈরি পত্রে লেখা প্রাচীন পুঁথিকে সাঁচিপুঁথি বলা হয়।

অসমের তিনটি সাঁচিপুঁথি হলো— ১. আনন্দ লহরী
২. গীতগোবিন্দ
৩. চিত্র ভাগবত


৪। ভারতের কোন অঞ্চলের মন্দিরশৈলী ‘বেসরা’ নামে পরিচিত?

উত্তর:
বিন্ধ্য পর্বত ও কৃষ্ণা নদীর মধ্যবর্তী কর্ণাটক অঞ্চলের মন্দিরশৈলী বেসরা (Vesara) নামে পরিচিত।


Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *