পাঠ ১১: ছাত্রদের কর্তব্য | সম্পূর্ণ প্রশ্নোত্তর ও ব্যাকরণ সমাধান
পাঠ ১১: “ছাত্রদের কর্তব্য”। নিচে এই অধ্যায়ের সমস্ত প্রশ্নোত্তর এবং ব্যাকরণ (ভাষা-অধ্যয়ন) সমাধান করে দেওয়া হলো:
পাঠ ১১: ছাত্রদের কর্তব্য
১। উত্তর দাও:
- (ক) কার সমান ভালো বন্ধু বা সঙ্গী নেই?
- উত্তর: বইয়ের মতো ভালো বন্ধু বা সঙ্গী আর কেউ নেই।
- (খ) কীসের মতো আনন্দ আর নেই?
- উত্তর: বই পড়ার মতো আনন্দ আর কোথাও নেই।
- (গ) কীসের চেয়ে বড় জিনিস আর নেই?
- উত্তর: জ্ঞানের চেয়ে বড় আর কিছুই নেই।
- (ঘ) কীসের চেয়ে বড় লজ্জার কথা আর নেই?
- উত্তর: বিদ্যা শেখার উপায় ও শক্তি থাকা সত্ত্বেও অবহেলা করে মূর্খ হয়ে থাকার মতো লজ্জা আর নেই।
- (ঙ) ছাত্র-ছাত্রীরা মনে মনে কী হতে পারবে বলে প্রতিজ্ঞা করতে হবে?
- উত্তর: ছাত্র-ছাত্রীরা মনে মনে প্রতিজ্ঞা করবে যে তারা নানা বিষয়ে পারদর্শী হবে।
- (চ) শিক্ষার মূল লক্ষ্য কী?
- উত্তর: শিক্ষার মূল লক্ষ্য হলো বিদ্যায় আগ্রহ জন্মানো এবং মনে মনে প্রতিজ্ঞা করা যে আমি নানা বিষয়ে পারদর্শী হব।
২। ভেবে উত্তর দাও:
- (ক) আলোচ্য পাঠে কাকে কাকে মহান বলে উল্লেখ করা হয়েছে?
- উত্তর: পাঠে , এবং -এর মতো প্রাচীন কবি ও লেখকদের মহান ব্যক্তি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
- (খ) লেখকের মতে কারা মূর্খ ও দরিদ্র হয়ে জীবনে অনেক দুঃখ-কষ্ট পায়?
- উত্তর: যারা অলসভাবে সময় নষ্ট করে এবং সময়কে সঠিক কাজে ব্যয় করে না, তারাই মূর্খ ও দরিদ্র হয়ে জীবনে অনেক কষ্ট পায়।
৩। পাঠের নিরিখে শূন্যস্থান পূর্ণ করো:
- (ক) একাগ্র মনে বিদ্যাশিক্ষা করা প্রয়োজন।
- (খ) বই আমাদের দিব্যচক্ষু।
- (গ) অবশ্য সব বিদ্যায় সমান দক্ষ হওয়া কঠিন।
৪। লেখক কেন বলেছেন শুধু বইয়ের পাতা ওলটালেই হবে না, সেটি বুঝিয়ে লেখো।
- উত্তর: লেখক বলতে চেয়েছেন যে প্রকৃত জ্ঞান অর্জনের জন্য কেবল দায়সারাভাবে বই পড়লে চলে না। পড়ার বিষয়টিকে ভালোভাবে বুঝতে হয় এবং তা নিয়ে আলোচনা ও চিন্তা করতে হয়। গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো সংক্ষেপে লিখে রাখা এবং পড়ার মান নিয়মিত পরীক্ষা করা প্রয়োজন।
৭। বাক্যগুলোর মর্মার্থ বুঝিয়ে লেখো:
- (ক) সময় খুব মূল্যবান:
- সময় একবার চলে গেলে আর ফিরে আসে না। যে সময়ের সঠিক ব্যবহার করে সে উন্নতি করে, আর যে সময় নষ্ট করে সে সারাজীবন কষ্ট পায়।
- (খ) বই আমাদের দিব্য চক্ষু:
- চর্মচক্ষে আমরা যা দেখি না, বই পড়ে সেই অজানা জগৎ, ইতিহাস এবং মহাকাশ সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করি। বই আমাদের মনের চোখ খুলে দেয়।
- (গ) মানুষের অসাধ্য কিছু নেই:
- মানুষ যদি আন্তরিকভাবে চেষ্টা ও পরিশ্রম করে, তবে যে কোনো কঠিন কাজ বা বিদ্যা আয়ত্ত করা তার পক্ষে সম্ভব।
৮। অর্থ মিলিয়ে পাঠ থেকে শব্দ খুঁজে লেখো:
- ইচ্ছা, অভিলাষ — অভিপ্রায়
- যত্ন, চেষ্টা, পরিশ্রম — তপস্যা
- খুব ইচ্ছা, পিপাসা — তৃষ্ণা বা পিপাসা
- প্রচুর ধনসম্পত্তি — ঐশ্বর্য
- আশঙ্কা, সন্দেহ — সংশয়
ভাষা-অধ্যয়ন (ব্যাকরণ সমাধান)
১০। অব্যয় পদ এবং তার প্রকারভেদ:
বাক্যে যে পদের কোনো পরিবর্তন (ব্যয়) হয় না, তাকে অব্যয় বলে। প্রয়োগ অনুযায়ী অব্যয় চার প্রকার:
- পদান্বয়ী অব্যয়: পদের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে। (উদাহরণ: জন্য, দিয়ে, দ্বারা, সঙ্গে, পর্যন্ত, ন্যায়)
- সমুচ্চয়ী অব্যয়: একাধিক বাক্য বা পদকে যুক্ত করে। (উদাহরণ: এবং, ও, কিন্তু, অথবা, যেহেতু)
- অনন্বয়ী অব্যয়: আবেগ, ঘৃণা বা বিস্ময় প্রকাশ করে। (উদাহরণ: ছি ছি, শাবাস, হায়, বাঃ)
- ধ্বন্যাত্মক বা অনুকার অব্যয়: শব্দের অনুকরণ বোঝায়। (উদাহরণ: মিউমিউ, ঝমঝম, টনটন, মড়মড়)
অতিরিক্ত তথ্য: নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগার
- -এর প্রাচীন গ্রন্থাগারটি ‘ধর্মগঞ্জ’ নামে পরিচিত ছিল।
- এটি নয়তলা ভবনে অবস্থিত ছিল এবং তিনটি প্রধান ভাগে বিভক্ত ছিল: রত্নসাগর, রত্নরঞ্জিকা এবং রত্নোদক।
- তুর্কি আক্রমণকারী এটি ধ্বংস করেন। কথিত আছে, গ্রন্থাগারটির বিশাল পাণ্ডুলিপির ভাণ্ডার পুড়তে কয়েক মাস সময় লেগেছিল।
