Chapter 10 উষ্ণতা এবং এর পরিমাপ
শুদ্ধ উত্তরের বৃত্তটি কালি দিয়ে পূর্ণ করো।
- পাশের চিত্রে থার্মোমিটার দ্বারা দেখানো সঠিক রিডিং কী?
- 0°C
- 0°C
- 0°C
- 0°C
Ans. 25.0°Cg
- ক্লিনিক্যাল থার্মোমিটারের পরিসর হলো-
- 35°C to 42 °C
- 32°C to 45 °C
- -10°C to 110 °C
- 10°C to 100 °C
Ans: (a) 35°C to 42 °C
- মানবদেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা হলো-
- 6°C
- 0°C
- 0°C
- 0°F
Ans. 37.0°C
- শূন্যস্থান পূর্ণ করো।
- একটি বস্তুর তাপমাত্রা তার _______দ্বারা নির্ধারিত হয়।
- ফুটন্ত জলের তাপমাত্রা______থার্মোমিটার দিয়ে মাপা যায় না।
- উষ্ণতার পরিমাপ ডিগ্রি________।
Ans:-
(a) একটি বস্তুর তাপমাত্রা তার আণবিক গতির দ্বারা নির্ধারিত হয়।
(b) ফুটন্ত জলের তাপমাত্রা ক্লিনিক্যাল থার্মোমিটার দিয়ে মাপা যায় না।
(c) উষ্ণতার পরিমাপ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা ফারেনহাইট।
- স্তম্ভ A সঙ্গে B স্তম্ভমিলাও:
| স্তম্ভ A | স্তম্ভ B |
| a) উষ্ণতার এসআই একক
b) মানুষের শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা c) পরীক্ষাগার থার্মোমিটারের পরিসর d) ফুটন্ত জলের তাপমাত্রা |
a)100°C
b) -10°C থেকে 110°C c) 37°C বা 98.6°F d) কেলভিন |
Answer:a) এসআইএকক (D) কেলভিন
(b) মানুষের শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা –© 37°C বা 98.6°F
(c) পরীক্ষাগার থার্মোমিটারের পরিসর – (B) -10°C থেকে 110°C
(d) ফুটন্ত জলের তাপমাত্রা – (A) 100°C
প্রশ্ন৬: পরীক্ষাগারের থার্মোমিটার এবং ক্লিনিক্যাল থার্মোমিটারের মধ্যে সাদৃশ্য এবং পার্থক্যগুলি উল্লেখ করো।
উত্তর:
সাদৃশ্য:
1. উভয় থার্মোমিটারেই পারদের (Mercury) ব্যবহার করা হয়।
2. উভয় থার্মোমিটারের কাজ হলো তাপমাত্রা পরিমাপ করা।
3. উভয়ের মধ্যেই তাপমাত্রা নির্ণয়ের জন্য কাঁচেরনল ও স্কেল থাকে।
পার্থক্য:
| পরীক্ষাগারের থার্মোমিটার | ক্লিনিক্যাল থার্মোমিটার |
| 1.পদার্থের তাপমাত্রা মাপতে ব্যবহৃত হয়
2.তাপমাত্রার পরিসর -10°C থেকে 110°C পর্যন্ত। 3.কিঙ্ক বা বাঁক কিঙ্ক থাকে না। 4. তাপমাত্রা পড়ার সময় থার্মোমিটার বস্তুতে রাখা যায়। |
1.মানুষের শরীরের তাপমাত্রা মাপতে ব্যবহৃত হয়।
2.35°C থেকে 42°C পর্যন্ত 3.কিঙ্ক থাকে যাতে পারদ ফিরে না আসে। 4.শরীর থেকে সরিয়ে নিয়ে তাপমাত্রা পড়া হয়। |
প্রশ্ন৭: আমরা একটি পরীক্ষাগারের থার্মোমিটার ব্যবহার করে আমাদের শরীরের তাপমাত্রা পরিমাপ করতে পারিনা কেন? কারণ দেখাও।
উত্তর:
আমরা পরীক্ষাগারের থার্মোমিটার দিয়ে শরীরের তাপমাত্রা পরিমাপ করতে পারিনা, কারণ এতে কিঙ্ক থাকে না, ফলে শরীর থেকে বের করার সময় পারদ নেমে যায় এবং সঠিক তাপমাত্রা পড়া যায়না।
এছাড়া পরীক্ষাগারের থার্মোমিটার শরীরের তাপমাত্রার ছোট পরিবর্তন ধরতে সক্ষম নয় এবং এর তাপমাত্রার পরিসর ও অনেক বেশি।
