আপনার পাঠ্যবইয়ের দ্বিতীয় অধ্যায় ‘বাংকা হাতির গল্প’-এর যাবতীয় প্রশ্ন এবং ব্যাকরণ অংশের সমাধান নীচে দেওয়া হলো:
অধ্যায়: বাংকা হাতির গল্প
লেখক: প্রশান্ত চক্রবর্তী
১. সঠিক উত্তরটি বেছে নিয়ে সঠিক বৃত্তটি পূরণ করো:
- বাংকার বন্ধুর নাম কী?
- উত্তর: (ঘ) সোনামুখো
- ‘মা আজ নাইতে যাব।’- কথাটি কে বলেছিল?
- উত্তর: (ক) বাংকা
২. সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও:
- (ক) হাজং গাঁওটি কোন্ বিলের পাশে অবস্থিত?
- উত্তর: হাজংগাঁও দিপর বিলের পাশে অবস্থিত.
- (খ) চিতাটির নাম কী?
- উত্তর: চিতাটির নাম হিংসারু.
- (গ) অর্ঘ্যদীপ দত্ত কে ছিলেন?
- উত্তর: অর্ঘ্যদীপ দত্ত ছিলেন একজন পরিবেশবিদ.
- (ঘ) বনমন্ত্রীর মতে প্রাণীরা আজ বিপন্ন কেন?
- উত্তর: বনমন্ত্রীর মতে, কিছু অসৎ মানুষ লুকিয়ে গাছপালা ও পাহাড় কেটে প্রকৃতি ধ্বংস করার ফলে বন্য প্রাণীরা আজ বিপন্ন.
- (ঙ) ‘ওরা মাংস খায় বাবা।’ কথাটি কে, কাকে বলেছিল?
- উত্তর: কথাটি বাংকার মা বাংকাকে বলেছিল.
- (চ) ‘বেটির শক্তি তো কম নয়।’- এখানে ‘বেটি’ বলতে কার কথা বলা হয়েছে? কী প্রসঙ্গে এ কথাটি বলা হয়েছে?
- উত্তর: এখানে ‘বেটি’ বলতে বাংকার মায়ের কথা বলা হয়েছে. হিংসারু নামক চিতা বাঘটি যখন বাংকার মায়ের শক্ত শুঁড়ের বেষ্টনী থেকে নিজেকে ছাড়াতে পারছিল না, তখন সে বাংকার মায়ের শক্তির প্রশংসা করতে গিয়ে মনে মনে এই কথাটি বলেছিল.
৩. আলোচনা করে লেখো:
- (ক) বন্যপ্রাণীদের সঙ্গে সংঘটিত অঘটনগুলো আমরা কীভাবে রোধ করতে পারি?
- উত্তর: অরণ্য ধ্বংস করা বন্ধ করে, বন্যপ্রাণীদের চলাচলের পথে (করিডর) রেললাইন বা রাস্তা নির্মাণ না করে এবং বন্যপ্রাণীদের প্রতি সহমর্মিতা প্রদর্শন করে আমরা এসব অঘটন রোধ করতে পারি.
- (খ) সরকার অ্যানিম্যাল করিডোর কেন বানিয়েছে?
- উত্তর: হাতি ও অন্যান্য বন্য জীবজন্তুর এক স্থান থেকে অন্য স্থানে আসা-যাওয়ার পথ সুগম করার জন্য এবং হস্তি-মানুষ সংঘাত কমানোর জন্য সরকার অ্যানিম্যাল করিডোর তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছে.
- (গ) বন্যপ্রাণীদের সঙ্গে আমাদের সহাবস্থান কীরকম হওয়া উচিত?
- উত্তর: বন্যপ্রাণীদের জগতকে তাদের মতো করে থাকতে দিতে হবে. তাদের বাসস্থান বা খাদ্যের অনিষ্ট না করলে ওরাও মানুষের ক্ষতি করবে না, তাই তাদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে সহাবস্থান করা উচিত.
৪. (ক) শব্দের সঙ্গে সঠিক অর্থ মেলাও:
শব্দ ——অর্থ
নজর —–দৃষ্টি
আখ—– ইক্ষু
আলোড়ন ——শোরগোল
সংঘর্ষ——- সংঘাত
সহাবস্থান——- মিলেমিশে থাকা
৫. সংলাপ তৈরি (অরুণ ও হাতির কথোপকথন):
অরুণ: তুমি জঙ্গল ছেড়ে এখানে এসেছ কেন?
হাতি: আমি ক্ষুধার্ত, খেতে এসেছি। মানুষেরা আমার থাকার জঙ্গল আর খাওয়ার গাছ সব কেটে ফেলছে.
দেবোপমা: আমাদের খুব খারাপ লাগছে তোমার জন্য। আমরা কি তোমার জন্য কিছু করতে পারি?
হাতি: তোমরা যদি গাছ না কেটে জঙ্গল রক্ষা করো, তবেই আমরা ভালো থাকব.
৬. ভাষা-অধ্যয়ন (ষ-ত্ব বিধান):
(খ) শব্দগুলোতে কোন্ নিয়ম অনুযায়ী ‘ষ’ ব্যবহৃত হয়েছে লেখো:
- নিষ্ফল: বিসর্গ সন্ধির নিয়মে (নিঃ + ফল) বিসর্গ স্থানে ‘ষ’ হয়েছে.
- বৃষ: ‘ঋ’ বা ঋ-কারের পর ‘ষ’ বসেছে.
- তৃষা: ‘ঋ’ বা ঋ-কারের পর ‘ষ’ বসেছে.
- দুষ্কর: বিসর্গ সন্ধির নিয়মে (দুঃ + কর) বিসর্গ স্থানে ‘ষ’ হয়েছে.
- মিষ্ট: ‘ট’-এর অব্যবহিত পূর্বে ‘ষ’ বসেছে.
- নিষ্পাপ: বিসর্গ সন্ধির নিয়মে (নিঃ + পাপ) বিসর্গ স্থানে ‘ষ’ হয়েছে.
- ওষ্ঠ: ‘ঠ’-এর অব্যবহিত পূর্বে ‘ষ’ বসেছে.
জ্ঞান-সম্প্রসারণ (সংক্ষেপে):
- অসমের বিখ্যাত প্রাণী: এক শিংযুক্ত গন্ডার.
- অসমের রাজ্যিক পাখি: দেওহাঁস.
- আকর্ষণীয় বন্যপ্রাণী: হলৌ বাঁদর বা হুলক গিবন.
আবেদনপত্রের বিষয়:
বন্যপ্রাণী ও মানুষের নিরাপত্তা চেয়ে আঞ্চলিক বন আধিকারিকের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে, যাতে এলাকায় বনকর্মী দ্বারা পাহারার ব্যবস্থা করা হয়.
