পাঠ ১৪: মজার দেশ
পৃষ্ঠা ১২৭ (ক্রিয়াকলাপ)
১. উত্তর দাও:
(ক) মজার দেশে কখন রোদ দেখা যায়?
উত্তর: মজার দেশে রাত্তিরেতে (রাতে) বেজায় রোদ দেখা যায়।
(খ) কোথায় আকাশের রং সবুজ?
উত্তর: মজার দেশে আকাশের রং সবুজ।
(গ) মজার দেশে গাছের পাতার রং কী?
উত্তর: মজার দেশে গাছের পাতার রং নীল।
(ঘ) মজার দেশে জিলিপি, কচুরি আর রসগোল্লা কী করে?
উত্তর: মজার দেশে জিলিপি তেড়ে এসে কামড় দিতে চায় এবং কচুরি ও রসগোল্লা ছেলে ধরে খায়।
(ঙ) মজার দেশকে কীভাবে দেখা যায়?
উত্তর: মজার দেশকে চোখ মুদলে (বন্ধ করলে) পরিষ্কার দেখা যায়।
২. কবিতা থেকে উত্তর খুঁজে নিয়ে বলো ও লেখো:
(ক) পাঠে উল্লিখিত বিভিন্ন ধরনের খাদ্য দ্রব্যের নাম: জিলিপি, কচুরি ও রসগোল্লা।
(খ) পদ্যটিতে উল্লেখ করা হয়েছে এমন দুটি মাছের নাম: রুই ও কাল্লা。
(গ) পদ্যটিতে আছে এমন যানবাহনের নাম: নৌকা, জাহাজ ও গাড়ি。
৩. শব্দগুলোর অর্থ লেখো (শব্দ-সম্ভার থেকে):
বরন: রঙ বা বর্ণ।
তেড়ে: আক্রমণ করার জন্য বেগে ধেয়ে আসা।
মুদলে: বন্ধ করলে।
ডাঙা: শুকনো ভূমি বা স্থলভাগ।
পৃষ্ঠা ১২৮ (ভাষা-অধ্যয়ন)
৪. শূন্যস্থান পূর্ণ করো:
(ক) রাত্তিরেতে বেজায় রোদ।
(খ) ডাঙায় চলে রুই কাল্লা।
(গ) কচুরি আর রসগোল্লা।
(ঘ) মুদলে পরিষ্কার।
৫. অন্তমিল যুক্ত শব্দ বসাও:
ভালো — আলো
চলে — জলে
চায় — খায়
৬. যুক্তবর্ণ ভেঙে দেখাও এবং নতুন শব্দ লেখো:
ল্ল: ল + ল (যেমন: কেল্লা, পাল্লা)
ষ্ক: ষ + ক (যেমন: পরিষ্কার, বিষ্কুম্ভ)
পৃষ্ঠা ১২৯ (ব্যবহারিক ব্যাকরণ ও জ্ঞান-সম্প্রসারণ)
৭. পদ খুঁজে বের করে লেখো:
বিশেষ্য পদ: দেশ, আকাশ, গাছ, রোদ, চাঁদ, আলো, জিলিপি, কচুরি, রসগোল্লা, নৌকা, জাহাজ, গাড়ি।
বিশেষণ পদ: মজার, সবুজ, নীল, পরিষ্কার, বেজায়।
ক্রিয়া পদ: আছে, চলে, চরে, ভাসে, ছোটে, দেখা যায়, খায়, চায়।
৮. বাক্য রচনা করো:
মজা: আমরা চিড়িয়াখানায় গিয়ে খুব মজা করেছি।
চাঁদ: পূর্ণিমার রাতে চাঁদ খুব উজ্জ্বল দেখায়।
আলো: সূর্যের আলো পৃথিবীতে প্রাণের উৎস।
জাহাজ: সমুদ্রের বুকে বড় বড় জাহাজ চলে।
ছাতি: রোদের হাত থেকে বাঁচতে আমরা ছাতি ব্যবহার করি।
৯. বিপরীতার্থক শব্দ লেখো:
দিন — রাত
আলো — অন্ধকার
জল — স্থল/ডাঙা
খোলা — বন্ধ বা মুদা
১০. জ্ঞান-সম্প্রসারণ (ইন্দ্রিয় সংক্রান্ত):
(ক) কবিতাটিতে একটি ইন্দ্রিয়ের নাম আছে, সেটি কী?
উত্তর: চোখ।
(খ) অন্যান্য ইন্দ্রিয়গুলো আমাদের শরীরে কোথায় আছে?
উত্তর: কান, নাক, জিভ ও ত্বক (চামড়া)।
(গ) কোন কোন ইন্দ্রিয় কী কাজে সাহায্য করে?
উত্তর: চোখ দিয়ে দেখি , কান দিয়ে শুনি, নাক দিয়ে ঘ্রাণ নেই, জিভ দিয়ে স্বাদ নেই এবং ত্বক দিয়ে স্পর্শ অনুভব করি।
(ঘ) ইন্দ্রিয়গুলো না থাকলে কী হত?
উত্তর: পৃথিবী ও পরিবেশের কোনো অনুভূতি আমরা পেতাম না। জীবন খুব কঠিন হয়ে পড়ত।
পৃষ্ঠা ১৩০ (ধাঁধা ও কল্পনা)
১১. ধাঁধা ভাঙো:
“গাছের ওপর ফল / ফলের ওপর গাছ / কে আমি বলো / না ভেবে আগ-পাছ।”
উত্তর: আনারস।
১২. যদি আমাদের দেশ মজার দেশের মতো হত তবে কী হত?
উত্তর: সব কিছু উলটপালট হয়ে যেত। মানুষ হাতে হেঁটে বেড়াত, জলে গাড়ি চলত আর ডাঙায় চলত জাহাজ। জিলিপি-কচুরিরা আমাদের খেতে তাড়া করত, যা কল্পনা করতেই খুব হাসি পায়!
পৃষ্ঠা ১৩১ (ছবি ও বর্ণনা)
১৩. ছবিগুলো দেখে দুটি করে বাক্য লেখো:
ছাতা: বৃষ্টির দিনে ছাতা আমাদের মাথা বাঁচায়। এই ছাতাটি দেখতে খুব রঙিন।
পাতা: গাছের পাতা সালোকসংশ্লেষ প্রক্রিয়ায় খাদ্য তৈরি করে। এটি একটি সবুজ বড় পাতা।
পাহাড় ও সূর্য: পাহাড়ের পিছন থেকে লাল সূর্য উঠছে। এই দৃশ্যটি খুব মনোরম।
জবা ফুল: জবা একটি টকটকে লাল রঙের ফুল। এটি পুজোর কাজে লাগে।
