বৈঠা মারো বৈঠা মারো রে”
” বৈঠা মারো বৈঠা মারো রে” সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর (পাঠভিত্তিক)
২। সঠিক উত্তরটিতে চিহ্ন দাও-
(ক) নীচের কোন শব্দটি ‘মাঝি’ শব্দের সঙ্গে সংযুক্ত
Ans– সঠিক উত্তর: নৌকা (কারণ মাঝি নৌকা চালায়)।
(খ) ‘চালইন বাতি’ বা বরণ প্রদীপ বা চালুনি বাতি কেন নৌকাটিকে দেখানোর কথা বলা হয়েছে?
Ans– সঠিক উত্তর: নৌকাটি নাও-খেলায় বিজয়ী হয়ে ফিরেছে বলে।
৩। বলো এবং লেখো-
ক। গানটিতে নৌকাকে কীসের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে?
Ans– গানটিতে নৌকাকে মানুষের মনের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে।
খ। বৈঠাটি কোন গাছের তৈরি বলা হয়েছে?
Ans– বৈঠাটি পবন গাছের তৈরি বলা হয়েছে।
গ। নৌকাটির নাম কী?
Ans– নৌকাটির নাম বাতাসি।
ঘ। নৌকাটিকে বরণ করার জন্য গৃহস্থকে হাতে কী নিয়ে আসতে বলা হয়েছে?
Ans– নৌকাটিকে বরণ করার জন্য গৃহস্থকে হাতে চালইন বাতি বা বরণ ডালার প্রদীপ নিয়ে আসতে বলা হয়েছে।
৫। গৃহস্থকে কেন বাইরে আসতে বলা হয়েছে?
And– গৃহস্থকে বাইরে আসতে বলা হয়েছে কারণ মাঝিরা জোর বৈঠা বেয়ে ফিরে এসেছে এবং নৌকাটি প্রতিযোগিতায় (নাও-খেলায়/বাইচে) জিতে এসেছে।
ভাষা-অধ্যায়ন (নৌকা বাইচের গান)
৪। ‘ক’ অংশের সঙ্গে ‘খ’ অংশ মেলাও-
– বৈঠা — নৌকা চালানোর দাঁড়
– বাইচার — মাঝি
– বাও — বেয়ে যাও
– ডিঙা — ছোটো নৌকা
– নেও — নাও
– মারেয়া — গৃহস্থ
– জিতিয়া — জয় করে
– আইল — এল
৬। বাক্য রচনা করো-
– মাঝি: অভিজ্ঞ মাঝি দ্রুত বেগে নৌকা চালাচ্ছেন।
– উঁচু: আমাদের গ্রামের মন্দিরটি একটি উঁচু টিলার উপর অবস্থিত।
– শিমুল: শিমুল গাছের তুলা খুব নরম হয়।
– গৃহস্থ: সন্ধ্যার পর গৃহস্থের ঘরে আলো জ্বলে উঠল।
– বৈঠা: বৈঠা মেরে মাঝিরা নৌকাটিকে এগিয়ে নিয়ে গেল।
– জয়: আমাদের দল নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতায় জয় লাভ করেছে।
৭। গানটির মধ্যে যেসব আঞ্চলিক শব্দ রয়েছে সেগুলোর মান্য ভাষায় লেখো-
– পাউচায় — পৌঁছোয়
– আউগায় — এগোয়
– জিতিয়া — জয় করে
– ভায়া — ভাই
– আইল — এল
– পাছা — পেছনদিক
– বাও — নৌকা বাওয়া / বেয়ে যাও
– বরিয়া — বরণ করা
বউ-নাচের গান সংক্রান্ত প্রশ্ন (আঞ্চলিক শব্দের মান্যরূপ)
বউ-নাচের গানটিতে যেসব আঞ্চলিক শব্দ রয়েছে সেগুলোর আধুনিক মান্যরূপ জেনে নিই এসো-
– সুয়াগ — সোহাগ, আদর, ভালোবাসার আবেগ
– চান্দ-বদনি — চন্দ্রের মতো বদন বা মুখমণ্ডল, এক্ষেত্রে স্ত্রী-সম্বোধন
– নাচোত — নাচো
– দেকি — দেখি
– বালা — বালিকা
– এগো — হ্যাঁ
– ভুলাও — ভোলাও, ভুলিয়ে দাও; মুগ্ধ করো
– দুল — কানের অলংকার বিশেষ
– পিন্দইন — পরিধান করেন
– নাগকেশর — সাপের ফলার মতো কেশরযুক্ত ফুল, নাগেশ্বর
– নাচইন — নাচেন
– কানাই — শ্রীকৃষ্ণ
– হেলিয়া-দুলিয়া — হেলে দুলে
– রাই — শ্রীরাধিকা
– নাগর — প্রিয়তম
