দেশ ও মহাদেশের কথা – জাপান, Ch -4, Class -6,

Next Chapter 

দেশ ও মহাদেশের কথা – জাপান, Chapter -4, Class -6, SEBA, New Syllabus 

অনুশীলনী – ১ (পৃষ্ঠা ৩২)

১। নীচের প্রশ্নগুলোর উত্তর লেখো।

  (ক) পৃথিবীর মহাদেশগুলোর নাম কী কী?

 Ans.  পৃথিবীর প্রধান মহাদেশ সাতটি- এশিয়া, ইউরোপ, আফ্রিকা, উত্তর আমেরিকা, দক্ষিণ আমেরিকা, ওসেনিয়া এবং অ্যান্টার্কটিকা বা কুমেরু মহাদেশ।

  (খ) সম্পূর্ণরূপে দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত মহাদেশটির নাম…

   Ans.ওসেনিয়া এবং অ্যান্টার্কটিকা বা কুমেরু মহাদেশ সম্পূর্ণরূপে দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত।

 (গ) পৃথিবীর দীর্ঘতম পর্বতমালার নাম কী?

  Ans. বিশ্বের দীর্ঘতম পর্বতমালা এন্ডিজ।

  (ঘ) পৃথিবীর সর্ববৃহৎ মরুভূমির নাম কী?

  Ans. পাঠ্যপুস্তকটিতে পৃথিবীর সবচেয়ে উত্তপ্ত মরুভূমি হিসেবে সাহারার নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

  (ঙ) পৃথিবীর দীর্ঘতম নদীটির নাম কী?

  Ans. পৃথিবীর দীর্ঘতম নদীটির নাম নীলনদী।

  (চ) পৃথিবীর সবচেয়ে প্রশস্ত নদীটির নাম কী?

  Ans. বিশ্বের সর্বাধিক প্রশস্ত নদী আমাজন।

  (ছ) পৃথিবীর সর্ববৃহৎ মহাদেশটির নাম কী?

  Ans. এশিয়া পৃথিবীর বৃহত্তম মহাদেশ।

। সংক্ষিপ্ত টীকা লেখো-

  (ক) এশিয়া মহাদেশ

 Ans.  এশিয়া পৃথিবীর বৃহত্তম মহাদেশ। এটি পৃথিবীর মোট ভূ-ভাগের ১/৩ অংশ দ্বারা গঠিত। এই মহাদেশের অধিকাংশ অংশ উত্তর গোলার্ধে অবস্থিত। কর্কট-ক্রান্তি রেখা মহাদেশটির দক্ষিণ অংশের মধ্য দিয়ে গিয়েছে। এর উত্তর-পশ্চিম অংশে উরাল পর্বতমালা অবস্থিত, যা এশিয়াকে ইউরোপ মহাদেশ থেকে পৃথক করেছে।

  (খ) ইউরোপ মহাদেশ

  Ans. ইউরোপ মহাদেশ এশিয়া মহাদেশ থেকে ছোটো এবং এটি এশিয়ার পশ্চিমে অবস্থিত। মহাদেশটির উত্তর অংশের মধ্য দিয়ে সুমেরু বৃত্ত গিয়েছে। এর তিনদিক জলে ঘেরা। আল্পস এই মহাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতমালা।

  (গ) আফ্রিকা মহাদেশ

  Ans. আফ্রিকা হল এশিয়ার পর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাদেশ। বিষুবরেখা মহাদেশটির প্রায় মাঝখান দিয়ে গিয়েছে। এটি একমাত্র মহাদেশ যার মধ্য দিয়ে কর্কট-ক্রান্তি, মকর-ক্রান্তি এবং বিষুব রেখা অতিক্রম করেছে। এর জলবায়ু তুলনামূলকভাবে অধিক উষ্ণ। পৃথিবীর সবচেয়ে উত্তপ্ত মরুভূমি সাহারা এই মহাদেশেই অবস্থিত। সুয়েজ খাল আফ্রিকাকে এশিয়া থেকে এবং জিব্রাল্টার প্রণালি ইউরোপ থেকে পৃথক করেছে। পৃথিবীর দীর্ঘতম নদী নীলনদীও এই মহাদেশে অবস্থিত।

  (ঘ) উত্তর আমেরিকা

  Ans. উত্তর আমেরিকা পৃথিবীর তৃতীয় বৃহত্তম মহাদেশ। এটি পানামা যোজক নামক একটি সংকীর্ণ ভূ-খণ্ড দ্বারা দক্ষিণ আমেরিকার সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে রয়েছে। এই মহাদেশটি সম্পূর্ণভাবে উত্তর গোলার্ধে অবস্থিত। রকি পর্বতমালা উত্তর আমেরিকার একটি উল্লেখযোগ্য পর্বতমালা। মহাদেশটিকে তিনটি মহাসাগর ঘিরে রেখেছে।

অনুশীলনী – ২ (পৃষ্ঠা ৩৮-৩৯)

১। নীচের প্রশ্নগুলের উত্তর লেখো-

  (ক) জাপানের দুটি প্রধান বিশেষত্ব উল্লেখ করো।

  Ans. জাপানের দুটি প্রধান বিশেষত্ব হল:

   ১. এটি সম্পূর্ণভাবে একটি দ্বীপ-দেশ (Island Country)।

   ২. অনেক দ্বীপের সমষ্টি হওয়ায় দেশটির উপকূলের দৈর্ঘ্য প্রায় ২৯,৭৫১ কিলোমিটার।

  (খ) জাপানে অবস্থিত দ্বীপগুলোর ভেতর কোনটি বৃহত্তম?

 Ans.  জাপানের প্রধান চারটি দ্বীপের মধ্যে হনসু (Honshu) সর্ববৃহৎ।

  (গ) জাপানের একটি সমতলভূমির নাম লেখো।

  Ans. জাপানের একটি বিখ্যাত সমতল অঞ্চল হল কান্টো। (অথবা, ইসিকারি নদী দ্বারা সৃষ্ট ইসিপরি ইউফুটস্ সমতল) ।

  (ঘ) জাপানে অনুভব হওয়া ঋতুগুলো কী কী?

   Ans.জাপানে চারটি ঋতু অনুভূত হয়- শীত, বসন্ত, গ্রীষ্ম এবং শরৎ।

 (ঙ) কোন ঋতুকে ‘ফল’ বলা হয়?

   Ane.শরৎকালে (সেপ্টেম্বর-নভেম্বর) গাছের পাতা ঝরতে শুরু করে, সেইজন্য বছরের এই সময়কে ‘ফল’ (Fall) বলা হয়।

  (চ) জাপানের কোথায় কোথায় সরলবর্গীয় বা শঙ্কুজাতীয় গাছ পাওয়া যায়?

 Ans.  জাপানের পাহাড়িয়া শীতল স্থানগুলোতে সাধারণত সরলবর্গীয় গাছ (Coniferous) দেখা যায়। দেশটির উত্তরের হকাইডো অঞ্চলে এবং হনসু দ্বীপের উচ্চ স্থানগুলোতে এই ধরনের উদ্ভিদের প্রাধান্য বেশি।

  (ছ) জাপানের বেশিরভাগ মানুষ কী ধর্ম পালন করে?

  Ans. জাপানের বেশিরভাগ মানুষ (প্রায় ৮০ শতাংশ) শিন্তো (Shinto) ধর্ম পালন করে, যা জাপানের পরম্পরাগত ধর্ম। দেশটির দ্বিতীয় প্রধান ধর্ম হচ্ছে বৌদ্ধ ধর্ম।

  (জ) জাপানে শিক্ষিতের হার কত?

 Ans.  জাপানে শিক্ষিতের হার ৯৯ শতাংশ।

২। জাপানকে কেন ‘দ্বীপ-দেশ’ বলা হয়?

Ans.জাপানকে ‘দ্বীপ-দেশ’ বলা হয় কারণ এটি সম্পূর্ণভাবে দ্বীপ দ্বারা গঠিত; দেশটি প্রায় ১৪,০০০ দ্বীপের সমষ্টি।

। জাপানের উদ্যোগের বিষয়ে সংক্ষেপে লেখো।

Ans.জাপান শিল্পের ক্ষেত্রে একটি অগ্রণী রাষ্ট্র এবং দেশের অর্থনীতি শিল্পের উপর নির্ভরশীল। জাপানের প্রধান শিল্পাঞ্চলগুলি টোকিও মহানগর থেকে কিউসুর উত্তর অংশ পর্যন্ত বিস্তৃত। দেশটির প্রধান উদ্যোগগুলোর মধ্যে লৌহ-ইস্পাত, জাহাজ ও উড়োজাহাজ নির্মাণ, রাসায়ণিক, যন্ত্র-পাতি নির্মাণ এবং বয়ন উদ্যোগই প্রধান। যদিও জাপান উদ্যোগে অগ্রণী, দেশটি কাঁচামালের ক্ষেত্রে সমৃদ্ধ নয় এবং প্রয়োজনীয় বেশিরভাগ কাঁচামাল অন্যান্য দেশ থেকে আমদানি করে।

দলগত কার্য (পৃষ্ঠা ৩৯)

ভূ-চিত্রাবলি দেখে দলে আলোচনা করে লেখো-

  (ক) পৃথিবীর প্রধান মহাদেশ কয়টি ও কী কী?

  Ans. পৃথিবীর প্রধান মহাদেশ সাতটি। এশিয়া, ইউরোপ, আফ্রিকা, উত্তর আমেরিকা, দক্ষিণ আমেরিকা, ওসেনিয়া এবং অ্যান্টার্কটিকা বা কুমেরু মহাদেশ।

  (খ) বিষুবরেখা, কর্কট ক্রান্তি এবং মকর ক্রান্তি রেখা তিনটি কোন মহাদেশের মধ্য দিয়ে পার হয়ে গিয়েছে?

   Ans. আফ্রিকা একমাত্র মহাদেশ যার মধ্য দিয়ে কর্কট-ক্রান্তি, মকর-ক্রান্তি এবং বিষুব রেখা—এই তিনটিই অতিক্রম করেছে।

  (গ) পানামা যোজক কোন দুইটি মহাদেশকে সংযুক্ত করেছে?

   Ans.পানামা যোজক উত্তর আমেরিকা এবং দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশকে সংযুক্ত করেছে।

ভেবে বের করো (পৃষ্ঠা ৩৯)

 * আমরা রেলগাড়ি চড়ে বা বাসে চড়ে অসম থেকে জাপান যেতে পারব কি? জাপান যাওয়ার জন্য কোন দেশগুলো অতিক্রম করতে হবে?

 Ans.  না, আমরা রেলগাড়ি চড়ে বা বাসে চড়ে অসম থেকে জাপান যেতে পারব না। কারণ জাপান সম্পূর্ণভাবে একটি দ্বীপ-দেশ। এটি এশিয়া মহাদেশের মূল ভূ-খণ্ড থেকে কিছু দূরে প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত। তাই অসম থেকে জাপানে যেতে হলে স্থলপথের শেষে জলপথ বা আকাশপথ ব্যবহার করতেই হবে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *