অসমের কুটির শিল্প ,Chapter -12, Class -4, SEBA, EVS New Book

অসমের কুটির শিল্প

পাঠ – ১২: অসমের কুটির শিল্প
পৃষ্ঠা ৯৯ (কার্যকলাপ)
(পৃষ্ঠা ৯৮-এর চিত্র ১ থেকে ৬-এর উপর ভিত্তি করে)
* চিত্র নং ১ – প্রস্তুতকারী ব্যক্তিটিকে কী বলে: কাঠমিস্ত্রি। কী কী জিনিস তৈরি করছে: চেয়ার, টেবিল। প্রয়োজনীয় কাঁচা সামগ্রীর নাম: কাঠ। কী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করছে: করাত, হাতুড়ি।
* চিত্র নং ২ – প্রস্তুতকারী ব্যক্তিটিকে কী বলে: কাসারু। কী কী জিনিস তৈরি করছে: শরাই, বাটি, কলস, পানবাটা। প্রয়োজনীয় কাঁচা সামগ্রীর নাম: কাঁসা, পিতল। কী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করছে: হাতুড়ি, হাপর, নেহাই।
* চিত্র নং ৩ – প্রস্তুতকারী ব্যক্তিটিকে কী বলে: কুমার। কী কী জিনিস তৈরি করছে: কলস, ঘট, মাটির পাত্র। প্রয়োজনীয় কাঁচা সামগ্রীর নাম: এঁটেল মাটি। কী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করছে: কুমারের চাকা।
* চিত্র নং ৪ – প্রস্তুতকারী ব্যক্তিটিকে কী বলে: বাঁশ-বেতের কারিগর। কী কী জিনিস তৈরি করছে: কুলা, চালনি, ঝুড়ি, পাটি। প্রয়োজনীয় কাঁচা সামগ্রীর নাম: বাঁশ, বেত। কী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করছে: দা, ছুরি।
* চিত্র নং ৫ – প্রস্তুতকারী ব্যক্তিটিকে কী বলে: তাঁতি। কী কী জিনিস তৈরি করছে: কাপড় (গামছা, চাদর)। প্রয়োজনীয় কাঁচা সামগ্রীর নাম: সুতা (কার্পাস, পাট, মুগা)। কী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করছে: তাঁতশাল, চরকা, মাকু।
* চিত্র নং ৬ – প্রস্তুতকারী ব্যক্তিটিকে কী বলে: কামার। কী কী জিনিস তৈরি করছে: দা, কুড়াল, ছুরি। প্রয়োজনীয় কাঁচা সামগ্রীর নাম: লোহা। কী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করছে: হাতুড়ি, হাপর, নেহাই।
পৃষ্ঠা ১০০ (কার্যকলাপ)
প্রশ্ন: বাঁশ-বেতের দ্বারা প্রস্তুত কিছু সামগ্রীর নাম লেখো এবং তাদের ব্যবহার কিভাবে করা হয় তা বর্ণনা করো।
উত্তর: বাঁশ ও বেত দিয়ে তৈরি নানা রকম জিনিস হলো – জাপি, কুলা, ডলা, চালনি, পাটি, ঝুড়ি, মুড়া, চেয়ার, টেবিল ইত্যাদি।
* জাপি: রোদ ও বৃষ্টি থেকে রক্ষা পেতে মাথায় পরা হয়।
* কুলা, ডলা, চালনি: শস্য ঝাড়া, বাছা ও পরিষ্কার করার কাজে ব্যবহৃত হয়।
* পাটি: মাটিতে বসা বা শোয়ার কাজে ব্যবহৃত হয়।
* ঝুড়ি: জিনিসপত্র বহন করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
* মুড়া, চেয়ার: বসার আসবাব হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
পৃষ্ঠা ১০১ (কার্যকলাপ)
প্রশ্ন: তাঁতশালের প্রয়োজনীয় সরঞ্জামগুলোর নাম লেখো।
উত্তর: তাঁতশালের প্রয়োজনীয় সরঞ্জামগুলো হলো তাঁতশালের মূল কাঠামো (যা কাঠ বা বাঁশ দিয়ে তৈরি), মাকু, চরকা, নচ, ব-কাঠি, রেশম বা সুতা ইত্যাদি।
পৃষ্ঠা ১০৪ (মানচিত্রের সাহায্যে তালিকা পূরণ)
(পৃষ্ঠা ১০৩-এর মানচিত্রের উপর ভিত্তি করে)
* কুটির শিল্পের নাম – বেত শিল্প। কোন স্থান বা জেলাতে অবস্থিত – শিলচর (কাছাড়)।
* কুটির শিল্পের নাম – বাঁশ-বেত শিল্প। কোন স্থান বা জেলাতে অবস্থিত – নলবাড়ি।
* কুটির শিল্পের নাম – পিতল শিল্প। কোন স্থান বা জেলাতে অবস্থিত – হাজো।
* কুটির শিল্পের নাম – মৃৎ শিল্প (টেরাকোটা)। কোন স্থান বা জেলাতে অবস্থিত – আশারীকান্দি (ধুবড়ি)।
* কুটির শিল্পের নাম – মৃৎ শিল্প, পাটি শিল্প। কোন স্থান বা জেলাতে অবস্থিত – করিমগঞ্জ।
* কুটির শিল্পের নাম – বয়ন শিল্প (পাট-মুগা)। কোন স্থান বা জেলাতে অবস্থিত – ঢকুয়াখানা।
* কুটির শিল্পের নাম – বয়ন শিল্প (পাট-মুগা)। কোন স্থান বা জেলাতে অবস্থিত – শুয়ালকুচি।
* কুটির শিল্পের নাম – কাঁসা শিল্প। কোন স্থান বা জেলাতে অবস্থিত – সর্থেবাড়ি।
* কুটির শিল্পের নাম – মুখোশ শিল্প, মৃৎ শিল্প। কোন স্থান বা জেলাতে অবস্থিত – মাজুলি।
পৃষ্ঠা ১০৫ (অনুশীলনী)
১। উত্তর লেখো –
(ক) কাঁসার তৈরি দুই প্রকার জিনিসের নাম লেখো।
উত্তর: কাঁসার তৈরি দুই প্রকার জিনিসের নাম হলো – কাঁসার বাটি এবং শরাই।
(খ) বাঁশের তৈরি দুই প্রকার জিনিসের নাম লেখো।
উত্তর: বাঁশের তৈরি দুই প্রকার জিনিসের নাম হলো – জাপি এবং কুলা।
(গ) অসমের চারটি কুটির শিল্পের নাম লেখো।
উত্তর: অসমের চারটি কুটির শিল্প হলো – (১) বয়ন শিল্প (পাট-মুগা শিল্প), (২) কাঁসা-পিতল শিল্প, (৩) মৃৎ শিল্প এবং (৪) বাঁশ-বেত শিল্প।
(ঘ) স্থানীয়ভাবে প্রাপ্ত তিন প্রকার কাঁচা সামগ্রীর নাম উল্লেখ করো।
উত্তর: স্থানীয়ভাবে প্রাপ্ত তিন প্রকার কাঁচা সামগ্রী হলো – কাঠ, বাঁশ-বেত এবং এঁটেল মাটি।
২। নীচে দেওয়া সামগ্রীসমূহ কোন কোন কুটির শিল্পের সঙ্গে জড়িত তার একটি তালিকা প্রস্তুত করো।
উত্তর:
* মৃৎ শিল্প – ঘট, মাটির প্রদীপ।
* কাঁসা-পিতল শিল্প – পানবাটা, শরাই, ঘটি, পিতলের প্রদীপ, কাঁসার-বাটি, লোটা, বানবাটি।
* বয়ন শিল্প – মেখলা-চাদর, গামছা, চেলেং-চাদর, রিহা।
* মুখোশ শিল্প – মুখোশ।
৩। রেখা টেনে ডানদিকের অংশের সঙ্গে বামদিকটি মেলাও।
উত্তর:
* সর্থেবাড়ি – কাঁসার শিল্প
* ঢকুয়াখানা – বয়ন শিল্প
* কাছাড় – বেতের শিল্প
* আশারীকান্দি – মৃৎ শিল্প
* হাজো – পিতলের শিল্প
* শুয়ালকুচি – বয়ন শিল্প

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *