ঐতিহ্য, Ch: 8, Class: 3, New book

Next Chapter 

পাঠ ১: চরাইদেউ ভ্রমণ

১। আলোচনা করো ও লেখো-
ক) ডায়েরিতে যে ছবিটি রয়েছে সেটি দেখাতে কার মতো।
উত্তর: ডায়েরিতে যে ছবিটি রয়েছে সেটি দেখতে হুবহু শ্রুতির ছোটোভাইয়ের মতো মনে হচ্ছে।
খ) ডায়েরিটা কার ছিল?
উত্তর: ডায়েরিটা শ্রুতির বাবা ‘সুজয় দেবনাথ’-এর ছিল।
গ) শ্রুতি ডায়েরির যে পাতাটি খুব আগ্রহের সঙ্গে পড়ছিল সেটাতে কত তারিখ লেখা ছিল?
উত্তর: শ্রুতি ডায়েরির যে পাতাটি খুব আগ্রহের সঙ্গে পড়ছিল সেটাতে ‘শনিবার, ২৫ ডিসেম্বর, ১৯৯৩’ লেখা ছিল।
ঘ) শিবসাগর থেকে চরাইদেউ কত দূরে অবস্থিত।
উত্তর: এই স্থানটি (চরাইদেউ) শিবসাগর শহর থেকে প্রায় ত্রিশ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।
ঙ) “ঠিক আছে। লম্বা ছুটি পেলে তোমাদের চরাইদেউ দেখতে নিয়ে যাব।” কথাটি কে, কাকে বলেছিলেন?
উত্তর: কথাটি বাবা শ্রুতিকে বলেছিলেন।
চ) বাবা চরাইদেউ সম্পর্কে শ্রুতিকে কী বলেছিলেন।
উত্তর: বাবা শ্রুতিকে জানিয়েছিলেন যে, “চরাইদেউ এখন বিশ্ব ঐতিহ্য ক্ষেত্র রূপে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ করেছে।” সেই সঙ্গে তিনি এও জানান যে চরাইদেউ এখন একটি জেলা হয়েছে।
২। চরাইদেউ জেলাটি পূর্বে কোন্ জেলার অন্তর্গত ছিল। শুদ্ধ উত্তরটি বেছে পাশের চিহ্নটি পূর্ণ করো-
উত্তর: শিবসাগর
৩। পাঠটিতে থাকা ‘শ্রুতি’ শব্দটিতে ‘শ্রু’ যুক্তাক্ষরটি ব্যবহাত হয়েছে? এসো, এবার যুক্তাক্ষরটি দিয়ে অন্য কয়েকটি শব্দ গঠন করি এবং পড়ি-
উত্তর: শ্রুতি, শ্রুতলিপি, অশ্রু।
৪। …নামের পরিবর্তে এরকম বেশ কিছু শব্দ ব্যবহার করে থাকি। তোমরা সেরকম শব্দের একটি তালিকা প্রস্তুত করো-
উত্তর: সে, তার, আমরা, আমাদের, তিনি, তোমাদের। (এছাড়াও: আমি, তুমি, ওরা, তাঁরা ইত্যাদি।)
৫। এখন পাশের বাক্সটা থেকে শব্দ বেছে নিয়ে শূন্যস্থান পূর্ণ করো-
* সে বাজারে গিয়ে শাক-সবজি কিনল।
* আমি ভাত খেয়ে বেরিয়ে পড়লাম।
* কথাগুলো শুনে তিনি খুশি হলেন।
* সে হাত মুখ ধুয়ে খেতে গেল।
৬। এখন ‘খাওয়ার’, ‘বলার’, ‘করার’- এই ধরনের শব্দ ব্যবহার করে কয়েকটি বাক্য গঠন করি, এসো-
উত্তর:
   * (খাওয়ার) – আমার খাওয়ার সময় হয়ে গেছে।
   * (বলার) – তোমার বলার কথাটি আমি শুনেছি।
   * (করার) – এই কাজটি করার জন্য আমি রাজি।
৭। এসো, ভাবি ও লিখি-
ক) আমাদের কেন ডায়েরি লেখা প্রয়োজন?
উত্তর: ডায়েরি লিখলে পুরোনো দিনের স্মৃতি ও ভ্রমণের অভিজ্ঞতার কথা লেখা থাকে, যা পরে পড়া যায়।
খ) তোমাদের আশেপাশের বিখ্যাত স্থান সম্পর্কে কিছু লেখো।
উত্তর: আমাদের অসমের ‘কাজিরঙ রাষ্ট্রীয় উদ্যান’ ও ‘মানস রাষ্ট্রীয় উদ্যান’ বিশ্ব ঐতিহ্য ক্ষেত্রের স্বীকৃতি লাভ করেছে।
৮। এসো, মনে করি- (স্থান ও বিখ্যাত হওয়ার কারণ)
* শুয়ালকুছি – পাট-মুগার কাপড়
* আশারিকান্দি – পোড়া মাটির ভাস্কর্য অর্থাৎ টেরাকোটা
* সর্থেবাড়ি – কাঁসা-পিতলের বাসন-বর্তন
* মালেগড় – সিপাহি বিদ্রোহের কীর্তিচিহ্ন
* জামুগুড়ি – নাটক/ভাওনা
* মাজুলি – মুখোশ শিল্প
* পথরুঘাট – কৃষক বিদ্রোহের কীর্তি চিহ্ন (১৮৯৪)
৯। কোন অঞ্চলে কী ঐতিহ্য আছে রেখা টেনে মেলাও-
(পাঠ্যপুস্তকের ছবি অনুযায়ী মেলানো হলো)
* কেরালা – (কথাকলি নৃত্য)
* আগ্রা – (তাজমহল)
* দিল্লি – (কুতুব মিনার)
* নাগাল্যান্ড – (ঐতিহ্যবাহী শিরস্ত্রাণ)
* আগরতলা – (উজ্জয়ন্ত প্রাসাদ)
১১। তোমাদের বিদ্যালয়ে কী কী উপলক্ষে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয় লেখো-
উত্তর: আমাদের বিদ্যালয়ে সাধারণত পরীক্ষার রুটিন, কোনো ছুটির ঘোষণা, বার্ষিক ক্রীড়া বা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং অন্যান্য জরুরি তথ্য জানানোর জন্য বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়।

পাঠ ২: লাচিত বরফুকন

১। এসো, আলোচনা করি ও লিখি-
ক) ইতিহাস প্রসিদ্ধ মোগল-বিজয়ী বীরের নাম কী?
উত্তর: ইতিহাস প্রসিদ্ধ মোগল-বিজয়ী বীরের নাম লাচিত (বরফুকন)।
খ) অসমকে পরাধীন করতে কারা এসেছিল?
উত্তর: অসমকে পরাধীন করতে মোগলের সেনারা এসেছিল।
গ) লাচিত তাঁর মামাকে কেন গড় নির্মাণ করতে বলেছিলেন।
উত্তর: মোগল আসার পথে গড় নির্মাণ করা দরকার ছিল, কারণ তা না হলে শত্রুরা (মোগল) এসে দখল নিয়ে নেবে।
ঘ) কোথায় রাত পোহানোর আগেই গড় নির্মাণের কথা বলা হয়েছে?
উত্তর: শরাইঘাটে প্রভাতের পূর্বেই (রাত পোহানোর আগেই) গড় নির্মাণের কথা বলা হয়েছে।
ঙ) লাচিত তাঁর মামাকে কী দায়িত্ব দিয়েছিলেন?
উত্তর: লাচিত তাঁর মামাকে এক রাতের মধ্যে শরাইঘাটে গড় নির্মাণের দায়িত্ব দিয়েছিলেন।
২। নীচের সংলাপগুলো কার উল্লেখ করো…
ক) “…..কাজ করে করে, লোকগুলো ক্লান্ত, শুয়ে আছে পড়ে…”
উত্তর: লাচিতের মামা।
খ) “কী বলছ মামা তুমি। হাঁপিয়ে গেছে? … মামা কভু বড়ো নয় স্বদেশের চেয়ে।”
উত্তর: বীর লাচিত।
৩। পদ্যটিতে পাওয়া শব্দগুলোর অর্থ লেখো-
* রাঙা – লাল
* প্রভাত – সকাল
* গড় – किल्ला বা দুর্গ
* বীর – সাহসী
* শ্রান্ত – ক্লান্ত
৪। ক) এসো, আমরা এবার শব্দ নিয়ে খেলা করি। …উচ্চারণে মিল থাকা শব্দগুলো রেখা টেনে মেলাই-
* লাচিত – উচিত
* সেনা – হানা
* ডাকি – ফাঁকি
* মান – প্রাণ
খ) বাক্য রচনা করো-
* শিগগিরি: লাচিত বললেন শিগগিরি মামাকে ডেকে আনতে।
* গর্জিয়া: রাঙা চোখে গর্জিয়া বীর লাচিত কথা বললেন।
* শত্রু: শত্রু যাতে ঠাঁই নিতে না পারে, তাই গড় নির্মাণ জরুরি।
* নির্মাণ: রাতের মধ্যেই গড় নির্মাণ করতে হবে।
* স্বদেশ: লাচিত বলেছিলেন, মামা কখনো স্বদেশের চেয়ে বড়ো নয়।
গ) নীচের শব্দগুলো বেছে নিয়ে পদ্যটির অসম্পূর্ণ পঙ্ক্তিগুলো পূর্ণ করো-
* মোগল আসার পথে গড় এক চাই,
* অসমকে পরাধীন করিবে বলে,
* লাচিতের তরবারি ঝলসি উঠিল,
* শুনেছ কি শিশুরা লাচিতের কথা,
* মামা কভু বড়ো নয় স্বদেশের চেয়ে।
৫। এসো, প্রশ্নগুলো একটু ভেবে নিয়ে লিখি-
ক) রাতের মধ্যে গড় নির্মাণ না হলে কী হতো?
উত্তর: রাতের মধ্যে গড় নির্মাণ না হলে শত্রু (মোগল) এসে ঠাঁই বা দখল নিয়ে নিত।
খ) “মামা কভু বড়ো নয় স্বদেশের চেয়ে।’- এই কথাটি কে, কাকে বলেছিলেন।
উত্তর: এই কথাটি বীর লাচিত তাঁর মামাকে বলেছিলেন।
গ) নিজের দেশকে রক্ষা করতে লাচিত কী নির্মাণ করতে আদেশ দিয়েছিলেন?
উত্তর: নিজের দেশকে রক্ষা করতে লাচিত গড় নির্মাণ করতে আদেশ দিয়েছিলেন।
ঘ) লাচিতের সেনারা কোথায় গড় নির্মাণ করেছিলেন।
উত্তর: লাচিতের সেনারা শরাইঘাটে গড় নির্মাণ করেছিলেন।
ঙ) লাচিতের সেনাদের সঙ্গে মোগলের কোথায় যুদ্ধ হয়েছিল?
উত্তর: লাচিতের সেনাদের সঙ্গে মোগলের শরাইঘাটে যুদ্ধ হয়েছিল (যেখানে গড় নির্মাণ করা হয়েছিল)।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *